আমার ভুবনে আপনাকে স্বাগতম

আমি, সৈয়দ সাইফুল ইসলাম।

নিজের আত্মবিশ্বাসে ভর করে এগিয়ে চলা একজন স্বপ্নদ্রষ্টা, যিনি জীবনের প্রতিটি বাঁকে খুঁজে পান নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার শক্তি। কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য, এবং মেধার মিশেলে গড়ে উঠেছে তার প্রতিটি সাফল্যের গল্প। মানবিক মূল্যবোধ আর সমতার পক্ষে দৃঢ় অবস্থানে থাকা একজন সমাজসংস্কারক। জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে আত্মোন্নয়ন আর ভালোবাসার চর্চা করেন। তিনি হচ্ছেন, Syed Saiful Islam – এক অতুলনীয় প্রতিভা।

Video Audio
জীবন যাত্রা

আমার সম্পর্কে সবকিছু

আমার নাম সৈয়দ সাইফুল ইসলাম। পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী পরিবেশে জানুয়ারির এক শীতল সকালে আমার জন্ম। শৈশব থেকেই আমি সৃজনশীলতার প্রতি গভীর আকর্ষণ অনুভব করতাম—হাওয়াইয়ান গীটার বাজানো, সংগীতে নিমগ্ন থাকা, এবং আবৃত্তির মাধুর্যে মানুষের হৃদয় জয় করা ছিল আমার প্রিয় কার্যকলাপ। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে কম্পিউটার আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্সে পড়াশোনা করেছি, যা আমাকে প্রযুক্তির জগতে প্রবেশের দ্বার খুলে দেয়। তবে, শুধু প্রযুক্তির দুনিয়াতেই সীমাবদ্ধ থাকিনি; ইউরোপের মনোরম প্রেক্ষাপটে আমি নিজেকে আরও সমৃদ্ধ করতে থাকি, নানা দেশে কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করি। বর্তমানে, আমি নিজের ব্যবসা পরিচালনার পাশাপাশি পোল্যান্ড-এ সিহাব টেকনলজিতে ICT ম্যানেজার হিসেবে কাজ করছি। প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি মিডিয়া প্রোডাকশনেও আমার অভিজ্ঞতা রয়েছে। ভিডিও এডিটিং, ভিএফএক্স, এবং সাউন্ড ডিজাইনে আমার কাজগুলো বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রশংসিত হয়েছে। শিল্পের প্রতি আমার ভালোবাসা আমাকে একজন সংগীতশিল্পী এবং ভয়েস আর্টিস্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। রেডিও বাংলাদেশে হাওয়াইয়ান গিটারিস্ট হিসেবে কাজ করেছি, যা আমার সৃজনশীল সত্তাকে আরও গভীরভাবে আবিষ্কারের সুযোগ দিয়েছে। এছাড়াও, আমি একজন লাইফস্টাইল ও ট্রাভেল ব্লগার হিসেবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছি, যেখানে আমার লেখাগুলো পাঠকদের মনের গভীরে প্রভাব ফেলে। আমার জীবনটা এক চমকপ্রদ অভিযানের মতো—প্রতিটি পদক্ষেপে নতুন চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে আমি নিজেকে নতুনভাবে গড়ে তুলেছি। আমার প্রতিটি সাফল্যের পেছনে রয়েছে কঠোর পরিশ্রম, দৃঢ় মনোবল, এবং সীমাহীন সৃজনশীলতার প্রেরণা। আমি বিশ্বাস করি, প্রতিকূলতার মধ্যেও নিজেকে খুঁজে পাওয়া এবং তা থেকে শিখে উন্নতি করা সম্ভব। আপনাদের সাথে আমার অভিজ্ঞতা, সাফল্যের গল্প এবং জীবনের দর্শন শেয়ার করার জন্য আমি সর্বদা উন্মুখ।

ব্যক্তিগত তথ্য

নাম: সৈয়দ সাইফুল ইসলাম
বয়স: ৪৩ বছর
জাতীয়তাবাদী: বাংলাদেশ
ঠিকানা: পোল্যান্ড
ফোন নং: +8801951547777
ইমেল: mailme@saifuislam.live
ভাষা দক্ষতা: ইংরেজি, হিন্দি ও বাংলা
অভিজ্ঞতা এবং

আমার কর্মদক্ষতা

আমি তথ্য প্রযুক্তি নেটওয়ার্ক এবং সিস্টেম উন্নয়নে অভিজ্ঞ। জটিল সমস্যা সমাধানে আমার গভীর জ্ঞান এবং বিশ্লেষণী ক্ষমতা আমাকে সফলভাবে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সাহায্য করে। প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং উন্নয়নের জন্য আমি সবসময় উদ্যমী ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। নিম্নে আমার সফটওয়্যার দক্ষতার গ্রাফ দেয়া হলো।

Adobe Illustrator CC
Adobe Illustrator CC 98%
Adobe Photoshop CC
Adobe Photoshop CC 85%
Adobe Premiere Pro CC
Adobe Premiere Pro CC 88%
Music Production and Audio Engineering
Music Production and Audio Engineering 94%
Mixing and Dubbing
Mixing and Dubbing 90%
Logic Pro Audio Software
Logic Pro Audio Software 91%
Content Creator
Content Creator 93%
Creater Studio (Online 2D-3D)
Creater Studio (Online 2D-3D) 84%
Team Management
Team Management 91%
GarageBand Audio Editing
GarageBand Audio Editing 95%
Special Effects
Special Effects 88%
Post-Production Editing
Post-Production Editing 90%
Cinematography and VFX
Cinematography and VFX 93%
iClone 7 4D Terrain
iClone 7 4D Terrain 86%
আমার

সোস্যাল প্লাটফর্মে অর্যন

আমার সোস্যাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে আমি মানসিক স্বাস্থ্য, জীবনের চ্যালেঞ্জ, এবং অনুপ্রেরণামূলক বিষয় নিয়ে কাজ করে একটি শক্তিশালী এবং সক্রিয় কমিউনিটি গড়ে তুলেছি। আমার কন্টেন্টগুলি মানুষকে অনুপ্রাণিত করে এবং ইতিবাচক পরিবর্তনে উৎসাহিত করে। প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে আমি গভীর উপলব্ধি এবং মূল্যবান অন্তর্দৃষ্টি শেয়ার করে সবার আস্থা অর্জন করেছি।

42000

YouTube - ইউটিউব

চ্যানেল এর সাবস্ক্রাইবার

1365

Projects - প্রকল্পসমূহ

2D,3D এনিমেশন ও গ্রাফিক্স ডিজাইন ক্লায়েন্ট

62632

Hour of Support - সহায়তার সময়

সব ধরনের প্রজেক্টের ক্লায়েন্ট

150000

Facebook Followers- ফেসবুক ফোলয়ার

চ্যানেলে যারা ফোলয়ার

জীবন পরিবর্তনকারী নৈতিক ভিডিও

জীবন পরিবর্তনকারী নৈতিক ভিডিও

জীবন পরিবর্তনকারী নৈতিক ভিডিওগুলোর মাধ্যমে আমি এমন মূল্যবান শিক্ষা ও বার্তা তুলে ধরছি যা মানুষের চিন্তাধারা, আচরণ এবং জীবনধারায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। এগুলো মানুষকে সঠিক পথ বেছে নিতে এবং জীবনকে নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে অনুপ্রাণিত করে।

পোর্টফোলিও

আমার নির্বাচিত কাজের সংগ্রহ

আমার দক্ষতার ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে গ্রাফিক্স, এনিমেশন, ভয়েস আর্টিস্ট, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ভিডিও এডিটিং এবং আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ডেভলপমেন্ট। এই সমস্ত ক্ষেত্রে আমি প্রফেশনাল মানে কাজ করি এবং প্রতিটি প্রকল্পে নিখুঁত ফলাফল প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। নিম্নে প্রজেক্ট কমপ্লিট সেম্পল দেয়া হলো।

এনিমেশন

এনিমেশন

গ্রাফিক্স

গ্রাফিক্স

গ্রাফিক্স

গ্রাফিক্স

গ্রাফিক্স

গ্রাফিক্স

আমার পরিবার

পরিবারের সদস্যদের পরিচয়

আমার পরিবারে রয়েছেন আমার প্রিয় বাবা, মা, এবং একমাত্র কন্যা সন্তান। বাবা-মায়ের অমিত প্রেম ও সহানুভূতির মাঝে আমাদের জীবন কাটছে, আর কন্যার হাসি আমাদের দিনকে আরও উজ্জ্বল করে তোলে। তারা সকলেই আমার জীবনের অমূল্য রত্ন।

মরহুম সৈয়দ লুৎফুল হক:

 প্রখ্যাত গিটার শিল্পী

বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতের একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র, সৈয়দ লুৎফুল হক, গিটার সঙ্গীতের ভুবনে অমর এক নাম। ১৯৪০ সালের ১৪ আগস্ট সিলেট বিভাগের সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুরে জন্মগ্রহণ করা এই গুণী শিল্পীর সঙ্গীত জীবনের শুরুটা হয়েছিল কণ্ঠসঙ্গীত দিয়ে, কিন্তু পরবর্তীতে গিটারের প্রতি তাঁর অগাধ প্রেম তাঁকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেয়।
১৯৫২ সালে আব্দুল লতিফের কাছে গিটার শেখার মাধ্যমে তাঁর সঙ্গীত জীবনের সূচনা হয়। কণ্ঠনালীর সমস্যার কারণে কণ্ঠসঙ্গীত থেকে সরে গিয়ে তিনি গিটারকে বেছে নেন। তাঁর এই সিদ্ধান্তই তাঁকে সঙ্গীত জগতের অন্যতম গুণী গিটার শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

১৯৫৯ সালে বোরহান আহমদের কাছে গিটার শেখা শুরু করেন সৈয়দ লুৎফুল হক এবং পরবর্তীতে বুলবুল ললিতকলা একাডেমী থেকে মরহুম পান্না আহমদের তত্ত্বাবধানে গিটারের সনদপত্র লাভ করেন। এটি তাঁর সঙ্গীত জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছিল।
শুধু একজন দক্ষ গিটার শিল্পী নয়, সৈয়দ লুৎফুল হক ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকও। তিনি বাংলাদেশের অনেক গিটার শিল্পীর ক্যারিয়ার গড়ে তোলার পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯৭০-এর দশকে তিনি নাট্যজগতে সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন এবং মোফাজ্জল হোসেন বিধুর সঙ্গে বিভিন্ন নাটকে সঙ্গীত পরিচালনা করে সুনাম অর্জন করেন।

১৯৭২ সালে বুলবুল ললিতকলা একাডেমীর শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন সৈয়দ লুৎফুল হক এবং পরবর্তীতে উপাধ্যক্ষ ও অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গিটার শিক্ষা প্রবর্তনে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন এবং এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিটারের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি আদায় করেছেন।
তাঁর পরিবারও সঙ্গীতের সাথে নিবিড়ভাবে জড়িত। স্ত্রী সৈয়দা ফারজানা হক এবং তাঁদের সন্তান দুজনেই গিটার শিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, যা তাঁদের পরিবারকে বাংলাদেশের গিটার জগতে পরিচিত করেছে।

১৯৮৮ সালে সৈয়দ লুৎফুল হকের উদ্যোগে “জাতীয় হাওয়াইয়ান গীটারশিল্পী পরিষদ” গঠিত হয়। তিনি এই পরিষদের সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ১৯৯০ সালে তিন দিনব্যাপী ‘জাতীয় হাওয়াইয়ান গীটার উৎসব’-এর আয়োজন করেন। এই উৎসব দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গিটার শিল্পীদের মধ্যে সেতুবন্ধন রচনা করে।
১৯৮৬ সালে বাংলাদেশ বেতারে মাসিক চুক্তিভিত্তিক শিল্পীদের চাকরি স্থায়ীকরণের আন্দোলন করেন সৈয়দ লুৎফুল হক। তাঁর দীর্ঘ ছয় মাসের আন্দোলনের ফলে প্রায় ৩৫০ জন অনিয়মিত শিল্পী স্থায়ী চাকরি পান।

সৈয়দ লুৎফুল হক কেবল গিটার শিল্পী নয়, সঙ্গীত শিল্পীদের উপযুক্ত মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে একজন নিবেদিত সংগঠকও। তাঁর অক্লান্ত প্রচেষ্টা ও নিবেদন বাংলাদেশের সঙ্গীত জগতে অমূল্য অবদান রেখেছে। তাঁর কর্মজীবন ও অবদান বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। সৈয়দ লুৎফুল হকের এই সাফল্যগাথা আমাদের সবার জন্য গর্বের বিষয়। তাঁর স্মৃতি এবং অবদান আমাদের চিরকাল অনুপ্রেরণা যোগাবে এবং সঙ্গীতের শক্তি ও গুরুত্বকে স্মরণ করিয়ে দেবে।

সৈয়দা ফারজানা হক

সঙ্গীত ও শিল্পকলার এক মহাকাব্য

সুনামগঞ্জের সুনামধন্য সিলেট বিভাগের সৈয়দপুর গ্রামের এক নীরব প্রান্তরে ১৯৬২ সালে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের জন্ম হয়। সৈয়দা ফারজানা হক, যার নাম আজ বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে শ্রদ্ধার সাথে উচ্চারিত হয়। তার প্রতিভার আলো ছড়িয়ে পড়েছে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে, স্পর্শ করেছে বহু মানুষের হৃদয়।

ফারজানা হকের সঙ্গীত ও শিল্পকলার যাত্রা শুরু হয় সৈয়দপুরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে, তবে ঢাকার কোলাহলপূর্ণ শহরে এসে তিনি তার প্রকৃত গন্তব্য খুঁজে পান। একাধারে তিনি ছিলেন একজন বাগানপ্রেমী, হস্তশিল্পের অনুরাগী, মাটির মূর্তি গড়ার শিল্পী এবং সুরেলা কণ্ঠের লোকসঙ্গীতশিল্পী। তাঁর শিল্পপ্রেম ও একনিষ্ঠতা ছিল সীমাহীন।

জ্ঞানার্জনের অদম্য তৃষ্ণা নিয়ে সৈয়দা ফারজানা হক তার সঙ্গীতের যাত্রা শুরু করেন। গীটার সঙ্গীতে তার অসামান্য দক্ষতা অর্জিত হয় তার জীবনসঙ্গী প্রখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ সৈয়দ লৎফুল হকের নিকট থেকে। তাঁর কাছে সঙ্গীতের মূল্যবান জ্ঞান ও প্রজ্ঞা অর্জন করে তারা একত্রে সঙ্গীত জগতে এক অমর কীর্তি রচনা করেন।

তিনি চার বছর ধরে বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে হাওয়াইয়ান গীটার অধ্যয়ন করেন। তার এই কঠোর অধ্যবসায় তাকে বাংলাদেশের রেডিওতে নিয়মিত একক গীটার বাদক হিসেবে পরিচিত করে তোলে, যেখানে তার সুরেলা মেলোডি শ্রোতাদের মুগ্ধ করে।

শুধু সঙ্গীতের জগতেই নয়, ফারজানা হক ছিলেন হাওয়াইয়ান গীটারের শিক্ষার ক্ষেত্রেও এক অগ্রণী ব্যক্তিত্ব। বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে তিনি একজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে অনেক শিক্ষার্থীর হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। তার জ্ঞান ও স্নেহ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিল্পীদের অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।

তিনি দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সার্ক সম্মেলনে তার অংশগ্রহণ ও প্রাপ্ত সম্মাননা তার অসাধারণ প্রতিভার প্রমাণ বহন করে।

হাওয়াইয়ান গীটার শিল্পীদের মধ্যে সৈয়দা ফারজানা হক একটি পরিচিত নাম। বাংলাদেশ হাওয়াইয়ান গীটার শিল্পী পরিষদের সদস্য হিসেবে তিনি সুরের জাদুতে দেশের আনাচে-কানাচে সবার মন জয় করে নিয়েছেন। তার সুরেলা সুরের মাধুর্য সীমান্ত পেরিয়ে বহু পদক জিতে নিয়েছে।

কিন্তু তার শিল্পী জীবনের যাত্রা শুধু সঙ্গীতে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি একজন প্রতিভাবান লেখিকা হিসেবে মনমুগ্ধকর পদ্য ও গদ্যের জন্যও পরিচিত। তার রচনা প্রকাশের অপেক্ষায়, যা তার শিল্পী প্রতিভার আরেকটি দিক উন্মোচিত করবে।

সৈয়দা ফারজানা হকের জীবনের মহাকাব্যে তিনি বহু প্রধান ভূমিকা পালন করেছেন। সঙ্গীত, শিল্প ও শিক্ষার জগতে তার অবদান প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা যোগাবে। যারা তার সান্নিধ্য পেয়েছেন এবং তার সুরের মাধুর্য শুনেছেন তাদের হৃদয়ে তিনি চিরকাল বেঁচে থাকবেন।

সৈয়দা আফিয়া ইবনাত

উদীয়মান নক্ষত্র

ধানমন্ডির গ্রিন রোডে, ২০০৯ সালের সেপ্টেম্বরে জন্ম নেন এক অসাধারণ প্রতিভা – সৈয়দা আফিয়া ইবনাত, সৈয়দ সাইফুল ইসলাম ও নূর-ই-নিগারের কন্যা। জন্মের পর থেকেই তিনি তার নানী মরহুমা মাফুজারা ছায়া এবং নানা মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের বাড়িতে তার মায়ের কাছে বেড়ে ওঠেন। তার শিকড় ঢাকার গেন্ডারিয়ার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত, যেখানে তিনি তার দাদা সৈয়দ লৎফুল হকের আদর্শ এবং দাদাবি সৈয়দা ফারজানা হকের স্নেহ ও দিকনির্দেশনায় বিকশিত হন।

দুর্ভাগ্যবশত, তিনি তার দাদার স্নেহের রাজকুমারী থাকা সত্ত্বেও সেই ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত হন কারণ তার দাদু মারা যান এবং শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের পূর্বে বলে গেছেন, “আমার নাতনী আমার রক্ত, আমারই প্রতিচ্ছবি। মৃত্যুর পর নাতনীর চোখেই আমি নতুন বিশ্ব দেখবো, তার হৃদয়েই বেঁচে থাকবো চিরকাল।”

শিক্ষার যাত্রা শুরু হয় তার পিতামাতার তত্ত্বাবধানে, যেখানে তার বুদ্ধিমত্তা দ্রুতই প্রকাশ পায়। তিনি ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে শিক্ষাজীবন শুরু করেন এবং নার্সারি পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য মাইলফলক অর্জন করেন। সিলেটের পবিত্র শহরে স্থানান্তরের ফলে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়, যেখানে তিনি রাইজ স্কুলে ক্লাস টু পর্যন্ত অগ্রসর হন।

সিলেটি ঐতিহ্য তার রক্তে প্রবাহিত থাকায়, সৈয়দা আফিয়া ইবনাত সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিমজ্জিত করেন। রঙিন পেন দিয়ে আঁকা তার উজ্জ্বল স্ক্র্যাচ আর্টের মাধ্যমে তার শিল্পী প্রতিভা প্রকাশ পায়।

স্কুলের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি অসংখ্য পুরস্কার ও ট্রফি অর্জন করেন, যা তাকে স্থানীয় পরিসরে পরিচিতি এনে দেয়। পরিবার ওয়াশিংটন ভ্যালি, ইউএসএ-এর ব্যস্ত মহানগরে স্থানান্তরিত হলে, সৈয়দা আফিয়া ইবনাত সেখানকার উচ্চমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ওয়াশিংটন ভ্যালি হাই স্কুলে তার শিক্ষা ও শিল্পকর্মের ধারা অব্যাহত রাখেন। ২৪ জুন ২০২৪ সালে, তার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অষ্টম গ্রেড গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করে তিনি “Heart of Gold Award by Donald Dame” (হার্ট অফ গোল্ড এওয়ার্ড বাই ডনাল্ড ডেইম) অর্জন করেন।

নিঃসঙ্গ শহরে, সৈয়দা আফিয়া ইবনাত তার নিবেদিতপ্রাণ মায়ের সাথে মিলে তার প্রতিভা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে অগ্রসর হচ্ছেন। ভবিষ্যতের প্রতি তার দৃষ্টি স্থির রেখে বিজ্ঞান বিষয়ে তার পড়াশোনার স্বপ্ন, যা বাস্তবায়নের পর সারা বিশ্বকে আলোকিত করবে।

সৈয়দা আফিয়া ইবনাতের ঢাকা শহরের রঙিন পথ থেকে ওয়াশিংটন ভ্যালির ব্যস্ত রাস্তায় যাত্রা প্রমাণ করে যে আবেগ, অধ্যবসায় এবং জ্ঞানের তৃষ্ণা কীভাবে একটি জীবনের গতিপথ পরিবর্তন করতে পারে। সকলের দৃষ্টি এখন তার দিকে, কারণ এই উদীয়মান নক্ষত্র ক্রমাগত জ্বলজ্বল করছে, সম্ভাবনার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছে এবং একটি প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করছে।

যোগাযোগ

সহযোগিতার জন্য সর্বদা তত্পর

যোগাযোগের জন্য আমাকে ইমেইল বা ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করুন। আমি সবসময় আপনার বার্তায় সাড়া দেব। আপনার প্রশ্ন বা প্রয়োজনীয় সাহায্যের জন্য আমাকে নির্দ্বিধায় জানাতে পারেন।

Let's get in touch

যোগাযোগের জন্য ইমেইল বা ফোনে যোগাযোগ করুন। আপনার সাথে সংযোগ স্থাপনের অপেক্ষায় থাকব।

Wawel Castle, Wawel 5, 30-001 Kraków, Poland

mailme@saifulislam.live

+8801951547777

Contact me